A slow laptop can affect everything from startup time and web browsing to office work, study, gaming, and multitasking. This guide explains practical ways to speed up a laptop, including removing unnecessary startup programs, clearing storage, reducing background processes, updating the operating system and drivers, checking for malware, controlling overheating, and optimizing power settings. It also explains when upgrading to an SSD or adding more RAM can provide a noticeable performance improvement.
Read More >>
উচ্চ রিফ্রেশ রেটের গেমিং মনিটর কিনলেই সবসময় ১৪৪ হার্টজ, ১৬৫ হার্টজ বা ২৪০ হার্টজ পাওয়া যাবে না। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড, মনিটর এবং ব্যবহৃত কেবল, এই তিনটি একসঙ্গে ঠিকভাবে সমর্থন করতে হবে।
Read More >>
গেম খেলার সময় স্ক্রিনে হঠাৎ ছবির এক অংশের সঙ্গে অন্য অংশ ঠিকমতো না মেলা, কাঁপা বা অস্বাভাবিক ঝাঁকুনি দেখা গেলে সেটি অনেক সময় মনিটরের রিফ্রেশ রেট ও গ্রাফিক্স কার্ডের ফ্রেম রেট একসঙ্গে না চলার কারণে হয়। এই সমস্যাগুলো কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয় ফ্রিসিঙ্ক, জি-সিঙ্ক(G-Sync) এবং অ্যাডাপটিভ সিঙ্ক প্রযুক্তি।
Read More >>
ইইইতে নতুন ভর্তি হয়ে ৮০–৯০ হাজার টাকার মধ্যে ল্যাপটপ কিনতে চাইলে শুধু প্রসেসরের নাম দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। পড়াশোনার সময় আপনাকে সার্কিট সিমুলেশন, প্রোগ্রামিং, সংখ্যাভিত্তিক হিসাব, প্রতিবেদন তৈরি, অনলাইন গবেষণা এবং একসঙ্গে একাধিক সফটওয়্যার চালাতে হবে। তাই শক্তিশালী প্রসেসরের পাশাপাশি পর্যাপ্ত র্যাম, দ্রুত এসএসডি এবং আরামদায়ক পর্দা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
Read More >>
কম্পিউটার, মনিটর ও প্রয়োজনীয় ছোট ডিভাইসকে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সমস্যা থেকে রক্ষা করতে 650VA UPS একটি পরিচিত বাজেট বিকল্প। তবে শুধু 650VA লেখা দেখে মডেল বেছে নেওয়া ঠিক নয়। একই 650VA হলেও প্রকৃত ওয়াট ক্ষমতা, ব্যাটারি, ট্রান্সফার টাইম, ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ এবং সুরক্ষা সুবিধায় পার্থক্য থাকে।
Read More >>
২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া গেমিং ফোনগুলো আসলে ডেডিকেটেড গেমিং ফোন নয়। এগুলো বাজেট স্মার্টফোন, যেগুলো সাধারণ ও হালকা থেকে মাঝারি গেমিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যায়। দীর্ঘ সময় ভারী গেম সর্বোচ্চ গ্রাফিক্সে চালানো এই দামের ফোনের মূল উদ্দেশ্য নয়। Ryans এর স্মার্টফোন এর কালেকশনেও ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে গেমিং ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বেস্ট কিছু মোবাইল ফোন দেখা গেছে (আগস্ট ২০২৬)।
Read More >>
৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে কীবোর্ড কিনতে গেলে শুধু ব্র্যান্ড দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। এই বাজেটে বেশিরভাগ মডেলই তারযুক্ত, ইউএসবি সংযোগের এবং মেমব্রেন ধরনের। তাই আসল পার্থক্য তৈরি হয় কীবোর্ডের আকার, কী-এর সংখ্যা, বাংলা অক্ষর আছে কি না এবং অতিরিক্ত কী দরকার কি না এসব বিষয়ে।
Read More >>
আপনার যদি মাসে মাত্র ২০–৩০ পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে হয়, বেশিরভাগ সময় সাদা-কালো নথি ছাপেন এবং মাঝে মাঝে কয়েক সপ্তাহ প্রিন্টার ব্যবহার না করেন, তাহলে Pantum P2500W একটি ভারসাম্যপূর্ণ পছন্দ। এর তালিকাভুক্ত দাম প্রায় ১২,৫০০ টাকা। এটি শুধু সাদা-কালো প্রিন্ট করে। ইউএসবির পাশাপাশি ওয়াই-ফাই সংযোগ রয়েছে এবং A4 কাগজে সর্বোচ্চ প্রতি মিনিটে ২২ পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে পারে। লেজার প্রিন্টারে তরল কালি ব্যবহার হয় না। তাই দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলে ইঙ্কজেট প্রিন্টারের মতো কালি শুকিয়ে প্রিন্ট হেডের নোজল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।
Read More >>
২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকার বাজেটে Intel Core Ultra 7 265K এবং RTX 5070 12GB দিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পিসি তৈরি করা যায়। যাচাই করা দামে Core Ultra 7 265K ছিল ৩৫,৯০০ টাকা এবং MSI RTX 5070 Shadow 2X OC ছিল ৯০,৫০০ টাকা। এই সমন্বয় নিলে ভালো মানের মাদারবোর্ড, ৩২GB DDR5 RAM, দ্রুত SSD, ATX 3.1 পাওয়ার সাপ্লাই এবং ভালো এয়ারফ্লোযুক্ত কেসের জন্যও যথেষ্ট বাজেট রাখা যায়।
Read More >>
রাইজেন ৭ ৫৭০০ এবং বি৪৫০এম-এ প্রো ম্যাক্স দিয়ে তৈরি পিসির জন্য কত ভিএ ইউপিএস লাগবে, সেটি শুধু প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের নাম দেখে ঠিক করা যায় না। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রাফিক্স কার্ড, পাওয়ার সাপ্লাই এবং পুরো পিসি বাস্তবে কত ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। রাইজেন ৭ ৫৭০০ প্রসেসরের নির্ধারিত তাপ নকশা ক্ষমতা ৬৫ ওয়াট এবং এতে বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স নেই। তাই এই প্রসেসর দিয়ে ডিসপ্লে চালাতে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড প্রয়োজন। ফলে কোন গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপর পুরো পিসির বিদ্যুৎ ব্যবহার অনেকটাই নির্ভর করবে। তাই গ্রাফিক্স কার্ড না জেনে সরাসরি “১০০০ ভিএ নিন” বা “১২০০ ভিএ হলেই যথেষ্ট” বলা ঠিক নয়।
Read More >>